
নিজস্ব প্রতিবেদক: গণভোট বাতিলের দাবি উঠলে জাতীয় নির্বাচনও বাতিলের আওতায় আনা উচিত কি না—এ প্রশ্ন তুলেছেন শিশির মনির। তিনি বলেন, যদি গণভোট বাতিল করা হয়, তাহলে জাতীয় নির্বাচনসহ ৫ আগস্টের পর গৃহীত সব সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আওতায় আনতে হবে।
সোমবার ২ মার্চ রাতে মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের নির্বাহী পরিষদ সদস্য শিশির মনির এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, গণভোট বাতিলের প্রশ্ন উঠলে মাঝখানে জারি হওয়া ১৩৫টি অধ্যাদেশের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তার মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত আদালতের পরিবর্তে সংসদে হওয়া উচিত। আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা রাজনৈতিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং ফলাফল বাতিলের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ এ রিট দায়ের করেন।
রিটের বিষয়ে শিশির মনির বলেন, এখনো কোনো রায় হয়নি। আদালত রুল জারি করবে কি না এবং অন্তর্বর্তী আদেশ দেবে কি না, তা নির্ধারণের বিষয় রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংসদ অধিবেশন শুরুর অল্প সময় আগে গণভোট নিয়ে চ্যালেঞ্জ উত্থাপন করা হয়েছে সরকারের ইন্ধনে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের মুখপাত্র এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নে আদালতের মাধ্যমে উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা সমীচীন নয়। তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল হতে পারে।











