
ঠিকানা টিভি ডট প্রেস: সম্প্রতি স্পেশাল কাউন্সেলের এক প্রতিবেদনে বাইডেনকে ‘দুর্বল স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন একজন সহানুভূতিশীল বয়স্ক ব্যক্তি’ বলা হয়েছে। এমনকি বাইডেনের স্মৃতিশক্তিকে ‘অস্পষ্ট’ ‘ত্রুটিপূর্ণ’ এবং ‘কমজোরি’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এর পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ঘিরে তার নিজ দল ডেমোক্র্যাটসদের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কারন তার বর্তমান বয়স ৮১। ওভাল অফিসে বসা সবচেয়ে বৃদ্ধ ব্যক্তিটি এখন তিনিই।
এ অবস্থায়, স্বাভাবিক ভাবেই একটা প্রশ্ন চলে আসে যে, তারা কি জো বাইডেনের বিকল্প খুঁজছে? কে হতে পারে জো বাইডেনের বিকল্প?
জো বাইডেনের মতো একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের বিকল্প কি আদ্যেও খুজে পাবে ডেমোক্র্যাটসরা!
উনার বিকল্প হিসেবে নামের তালিকায় এগিয়ে আছেন জো বাইডেনেরই ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস। কিন্তু তার জনপ্রিয়তার হার অনেক কম।
এর বাইরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তালিকায় যারা রয়েছেন তারা হলেন-মিশিগানের গভর্নর গ্রেটচেন হোয়াইটমার, কেন্টাকির অ্যান্ডি বিশিয়ার ও ক্যালিফোর্নিয়ার গ্যাভিন নিউসাম।
কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে কিছু প্রভাবশালী কী এখনও বাইডেনকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন’?
আর প্রাথমিক ভোট শুরু হওয়ার পর সেটা করা আরও বেশি অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভোটে দলীয় প্রার্থীদের পছন্দের ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত দিতে পারেন ভোটাররা। যেকোনো আসন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে প্রাথমিক ভোট নেয়া হয়।
সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও অ্যামি ক্লোবুচারের হয়ে কাজ করা কৌশলী টিম হোগ্যান মনে করেন, বর্তমান সময়ে এসে বাইডেনকে চ্যালেঞ্জ করা সাংগঠনিকভাবে অসম্ভব। আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রাথমিক ভোট শুরু হওয়ার দুমাস আগে তিনি বলেছিলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে এটা আত্মঘাতী অভিযাত্রা।’
মার্কিন নির্বাচনে একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে প্রাথমিক ভোটে সফল হওয়া অনেক কঠিন।
কিন্তু হঠাৎ করে জো বাইডেন যদি স্বাস্থ্য সংকটে পড়ে যান-তাহলে কঠিন এক সমস্যায় পড়ে যাবে ডেমোক্র্যাটরা। যদি প্রাথমিক ভোটের আগেভাগেই জো বাইডেন নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন, তাহলে নির্বাচনী প্রার্থিতায় থাকা বিকল্পগুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে ভোটারদের।’