
জুয়েল রানা: সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে টহল পুলিশের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। তবে সম্প্রতি এ ধরনের অভিযোগ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। বিশেষ করে মহাসড়কে দায়িত্ব পালনরত কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সড়কসংযোগস্থল হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জে এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রী ও যানবাহনের চাপকে পুঁজি করে সেখানে চাঁদাবাজি চলছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থেকে এক থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে হয়রানি, এমনকি মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাবনা, রাজশাহী, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকাগামী প্রায় সব যানবাহনকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর অতিক্রম করতে হয়। এই সুযোগে সেখানে দায়িত্বরত কিছু পুলিশ সদস্য নিয়মিতভাবে অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চালক জানান, প্রতিদিনই টাকা দিতে হয়। না দিলে নানা অজুহাতে গাড়ি আটকানো হয়, কাগজপত্র নিয়ে ঝামেলা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট হাইওয়ে থানায় বিষয়টি জানালেও তেমন কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না। এতে করে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের ভাড়াতেও প্রভাব পড়ছে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, সার্জেন্ট আতিক ও সুরুজ মিয়া নামের দুই সদস্য নিয়মিত এ কার্যক্রমে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, এই বিষয়ে আমার কোন কিছু জানা নেই, এমনটা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।











