নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার প্রলোভনে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ টিম বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে অভিযান চালায়।
দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানান, ডা. মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু উপায়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার চেষ্টা করার প্রমাণ মিলেছে। অভিযানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বিভিন্ন নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো বিশ্লেষণ করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত নথি সংগ্রহ চলছে এবং সব তথ্য যাচাই শেষে কমিশনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদ পাওয়ার আশায় ডা. মোস্তফা একটি সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং চারটি চেকের মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকা দেন। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন আরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি সরাসরি ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে চেকগুলো সংগ্রহ করেন।
ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতির একটি চাঞ্চল্যকর দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
তবে অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি গণমাধ্যমে দাবি করেন, তাকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। তার ভাষায়, “এগুলো ছিল সিকিউরিটি চেক। যে দিন তারা আমার অফিসে আসে, তখন তাদের দুজনের হাতে অস্ত্র ছিল।”
ইপেপার
Copyright © 2025 ThikanaTV.Press. All rights reserved.