
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় আট ধরনের ভারী খনিজের সন্ধান মিলেছে। ফিশিং ট্রলার ব্যবহার করে পরিচালিত গবেষণায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক জানান, উপকূল ও অগভীর সমুদ্রের প্রায় ১৮ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় পরিচালিত জরিপে এ খনিজগুলো শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সিলিকন ও মাইকার মতো বিরল খনিজও রয়েছে।
গবেষণায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে ১৪৩ প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবাল পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ১০ প্রজাতি বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিন ধরনের সিউইড থেকে আগার, ক্যারাজিনান ও এলজিনেট আহরণের সম্ভাবনাও চিহ্নিত হয়েছে। এছাড়া সি আর্চিনে ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত উপাদান, রাজ কাঁকড়ায় ভ্যাকসিন উৎপাদন উপযোগী উপাদান এবং জেলিফিশ থেকে সার ও প্রসাধনী তৈরির সম্ভাবনাও ধরা পড়েছে।
মহাপরিচালক আরও জানান, গবেষণা জাহাজ না থাকায় গভীর সমুদ্রের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে নতুন জাহাজ ও ৩৯৮ ধরনের বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম সংগ্রহের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা আগামী দুই বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হতে পারে।
এ পর্যন্ত ইনস্টিটিউট ভৌত, ভূতাত্ত্বিক, রাসায়নিক, জৈব, পরিবেশ ও জলবায়ুসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ৮৪টি গবেষণা সম্পন্ন করেছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সমুদ্রসম্পদ আহরণ ও সুনীল অর্থনীতি বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।











