
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামীকাল ১৪ এপ্রিল উদযাপিত হবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ এর প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ। নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটিকে বরণ করবেন বাঙালিরা। বাংলাদেশে প্রতি বছর পয়লা বৈশাখে পান্তা উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার সংস্কৃতি চালু ও পরিব্যাপ্ত হয়েছে।’
এ উৎসবের দিন রমনায় বৈশাখের জাঁকজমক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিভিন্ন সংগঠন। এতে রঙিন পসরা সাজিয়ে বসে দোকানিরা। এ আয়োজনে যোগ দেয় দেশ-বিদেশের পর্যটকরা। এর নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
নিরাপত্তার এ আয়োজন দেখতে গিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, রোববার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের স্থলে প্রবেশ করা যাবে, এরপর আর প্রবেশ করা যাবে না।
শনিবার (১৩ এপ্রিল’) বেলা ১১টার দিকে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
তিনি আরও বলেন, বৈশাখের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকায় যেসব স্থানে অনুষ্ঠান হবে প্রত্যেকটি অনুষ্ঠান সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজর রাখা হবে। এর বাইরেও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। নজর রাখতে অনুষ্ঠানের স্থল ড্রোন থাকবে। তাছাড়া ভিডিও ক্যামেরা থাকবে সব জায়গায়।
তিনি বলেন, অনুষ্ঠান শুরুর আগে উন্নত প্রযুক্তি এবং ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দ্বারা অনুষ্ঠানস্থল সুইপ করা হবে। বোম ডিসপোজাল ইউনিট তাদের নিয়মিত মহড়া দিবে। একই কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রমনা এলাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
রোববার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের স্থলে প্রবেশ করা যাবে এরপর আর প্রবেশ করা যাবে না জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বৈশাখের সকল অনুষ্ঠান পাঁচটার মধ্যে শেষ করতে হবে এরপরে আর কাউকে এখানে থাকতে দেওয়া হবে না। অনুষ্ঠানের স্থল এবং বাহিরে ডিএমপির ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ ছাড়াও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।’