
নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় মূলহোতা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন দুলালকে (৪০) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
আটককৃত দুলাল হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।
জানা যায়, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের কালামের বাড়িতে চলছিল ককটেল তৈরির কাজ। এই ককটেল তৈরি করার জন্য এলাকার বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসেছিল কালামের ছোট ভাই দুলাল। ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দেন তিনি। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে রাজশাহী মেডিকেলের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে পাকা রাস্তার ওপর থেকে গ্রেপ্তার করে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে তোলা হবে এবং রিমান্ড চাওয়া হবে।,
প্রসঙ্গত, গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফাঁটাপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. কালামের বসতবাড়িতে একদল দুষ্কৃতকারী ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ অবস্থান করছিল। সেখানে তারা ককটেল তৈরি করার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যান। এছাড়াও বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হওয়া তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
এছাড়া এই ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৮ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে মামলা দায়ের করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের এসআই বেলাল হোসেন।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের ওপর ধুমিহায়াতপুর এলাকার মোয়াজ্জেমের ছেলে আলামিন (২০) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের মনিরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ (১৭)।
এছাড়া আহত তিনজন হলেন, সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাঁটাপাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমান (২০) ও মো. মিনহাজ (২২) এবং একই উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ (২০)। আহত বজলুর রহমান ও মিনহাজ হলো ককটেল তৈরির মূলহোতা দুলালের চাচা ও ভাতিজা।,











