
নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে পর্যটক আগ্রিম হোটেল বুকিংয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। শহরের পাঁচ শতাধিক আবাসিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস ও রিসোর্টে ঈদের প্রথম তিন দিনের জন্য অধিকাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পাঁচ থেকে দশ লাখ পর্যটক ছুটির দিনগুলোতে কক্সবাজারে আসবেন।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট হোটেল ও রিসোর্টগুলোতে মেরামত, সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ চলছে। হোটেল হিলভিউ-এর ম্যানেজিং পার্টনার রহমত উল্লাহ জানিয়েছেন, তাদের হোটেলে ২২, ২৩ ও ২৪ মার্চের জন্য অগ্রিম বুকিং রয়েছে এবং বর্তমানে মেরামত ও সাজসজ্জার কাজ চলছে। হোটেল কক্স টুডে-এর এজিএম আবু তালেব বলেন, তাদের দুই শতাধিক রুমের মধ্যে ঈদের প্রথম তিন দিনের জন্য প্রায় ৫০ শতাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে এবং রমজানের সময় হোটেল পুনর্নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজ চলছে।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম জানিয়েছেন, কক্সবাজারে দৈনিক এক লাখ ২০ হাজার পর্যটক থাকার সক্ষমতা রয়েছে এবং এবারের দীর্ঘ ছুটিতে প্রতিদিন লাখের বেশি পর্যটক আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কক্সবাজার হোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানিয়েছেন, পাঁচ শতাধিক হোটেলের অধিকাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে এবং লম্বা ছুটিতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং হোটেল-মোটেল মালিকদের কাছ থেকে ন্যায্য ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন, শহর ও পর্যটন স্পটগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হবে এবং পর্যটকদের হয়রানি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।











