
নজরুল ইসলাম: সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মেমোরিয়াল হাই স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানে সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিসিএল)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবেক অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ শাহ্ আলম টুকুকে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে কলেজ ভবনের হলরুমে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাসুদ রানার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে আগত সভাপতি ও প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ। এ সময়
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসজিসিএল-এর চেয়ারম্যান ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ শাহ্ আলম টুকু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম।
স্বাগত বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী কনা খাতুন এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন হাসান শেখ। এছাড়া বিদায়ী শিক্ষক হিসেবে বক্তব্য দেন তরিকুল ইসলাম এবং সহকারী অধ্যাপক আব্দুল বাছেদ খান।
আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষকগণ তাদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নৈতিকতা, অধ্যবসায় এবং ভবিষ্যৎ জীবনে সফলতা অর্জনের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তারা শিক্ষার্থীদের দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিয়ালকোল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম টুপা সরকারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকবৃন্দ। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন হাদিরা খানম, প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেন, আমেনা খাতুন, আলী আক্কাছ, হাসান মোর্শেদ, বুলবুল আহম্মেদ, আবু রায়হান, গীতি কবিতা রায়, আব্দুল করিম খান, মাহমুদুল হাসান, আয়শা খাতুন, সম্পা দেব, রেহানা আহম্মেদ, খ. ম. মশিউর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র রায়, সিনিয়র শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, শিক্ষক শাহাদাৎ হোসেন, সেলিনা বেগম, ফরিদুল ইসলাম, মজনু সরকার, আব্দুস ছালাম, ছাইফুল ইসলাম, আকতার হোসেন, আব্দুর রাজ্জাক, মাসুদা সুলতানা, সমাপিকা সাহা, তারিকুল ইসলাম, নীল রতন ঘোষ, মৌপিয়া ইসলাম, নিশাত জাহান, রেখা খাতুন, জুয়েল রানা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয় এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়। আবেগঘন এই আয়োজনে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করে এবং শিক্ষক-সহপাঠীদের সঙ্গে বিদায়ের মুহূর্ত ভাগাভাগি করে নেয়।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র দেয়া হয় এবং সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিদের মাঝে খাবার পরিবেশন করা হয়।











