নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদুল ফিতরের মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকায় রাজধানীর বাজারে পেস্তা, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম এবং আলুবোখারার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। মসলাজাতীয় পণ্যের দাম আগের মতো স্থিতিশীল থাকলেও কিছু পণ্যের খুচরা দামে সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কাঠবাদামের দাম কেজিতে ১২০০–১৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০০–১৫০০ টাকায় পৌঁছেছে। কাজুবাদামের দাম ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, চিনাবাদাম ১৮০ থেকে ২২০ টাকা এবং পেস্তা বাদাম ১৭০০–২৪০০ থেকে ২৬০০–৩৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুবোখারার দাম কেজিতে ৬০০–৮০০ থেকে বেড়ে ১২০০–১৪০০ টাকায়, কিসমিস ৯০০–১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর মসলা ব্যবসায়ী মনি মিয়া জানিয়েছেন, ঈদে সেমাই ও পোলাও রান্নায় বাদামের চাহিদা বেড়ে যায়। পাইকারি বাজারের দামের প্রভাব খুচরায়ও পড়ে। তিনি উল্লেখ করেছেন, তিন ধরনের বাদামের দাম মসলার তুলনায় বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
মসলাজাতীয় পণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। কিছু পণ্যের খুচরা দাম ১০–৫০ টাকা বেড়েছে। দেশে মসলার বার্ষিক বাজার ১০ হাজার কোটি টাকার ওপরে এবং অধিকাংশ পণ্য আমদানিনির্ভর। এলাচের দাম দুই বছরের ব্যবধানে ২০০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০০০–৬০০০ টাকা, লবঙ্গ ১৮০০–২০০০, ধনিয়া ৩০০–৩৬০, তেজপাতা ২০০–৩০০, জয়ত্রী ৪০০০ এবং জায়ফল ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জিরার দাম সামান্য কমে ৭০০–৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এই সময় ক্রেতারা বাদাম ও মসলা কেনাকাটায় অতিরিক্ত ব্যয় মোকাবিলা করছেন, কারণ ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে এসব পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
ইপেপার
Copyright © 2026 ThikanaTV.Press. All rights reserved.