নিজস্ব প্রতিবেদক: সেনাবাহীনির হাতে উদ্ধারকৃত মালামালাগুলো অস্ত্র না মানুষের ব্যবহৃত প্রয়োজনী সরঞ্জাম। এ নিয়ে দিনভর চলে ধুম্রজাল। পরিক্ষা-নিরিক্ষার পর সোমবার সন্ধ্যায় আটকৃকত তিনজন সোহেল রানা, সেলিম রেজা ও সাহারুল ইসলামকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এর আগে সকাল ১০ টার দিকে শহরের হোটেল বাজারমোড়ে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় আসার পথে জেলা জামায়াতের মাওলানা তাজ উদ্দিন খানের গাড়ি তল্লাশী করে তাদের আটক করে সেনাবাহীনি। উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু মালামাল। এরপর ঐ তিনজনকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।
সন্ধ্যায় জেলা জাময়াতের অফিসে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডাকে জেলা জামায়াত। লিখিত বক্তব্যে জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারী মাও. রুহুল আমিন বলেন, সমাবেশে ব্যবহৃত বেশ কিছু ইলেকট্রিক পণ্য ও বেশ কয়েকটি ওয়াকিটকি সহ তিনজনকে আটক করে সেনাবাহীনি। এরমধ্যে একজন বাংলা এ্যাডিশনের সাংবাদিকও ছিলো। পরে পুলিশ সেগুলো অস্ত্র না হওয়ায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়। সন্ধ্যায় তাদেরকে থানা থেকে নিয়ে আসা হয়।
অস্ত্র না অথচ তাদেরকে কেন পুলিশ আটক রেখেছিলো এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, জামায়াতের আমীর মেহেরপুরের নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ায় পুলিশের সাথে যোগাযোগ করতে বিলম্ব হয়। এই কারণে তাদেরকে থানা থেকে ছাড়ানো সম্ভব হয়নি। এজন্য পুলিশের দুঃখ প্রকাশ করা উচিত। এছাড়াও পুলিশের এমন কর্মকান্ডে হতাশা প্রকাশও করেন জাময়াত নেতৃবৃন্দ।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি (অপারেশন) জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, উদ্ধারকৃত মালামালগুলো অস্ত্র না হওয়ায় তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে কোন প্রাণঘাতী অস্ত্র ছিলোনা বলেও তিনি জানান। এছাড়াও তিনি বলেন, যে মালামালগুলো পাওয়া গেছে সেগুলো সমাবেশ¯’লে ব্যবহার করার জন্য আনা হয়েছিলো। নিশ্চিত হবার পরই পুলিশের পক্ষ থেকে এ স্বীদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পুলিশের এই বক্তব্যের মাধ্যমে ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা স্পষ্ট হলেও এর আগে প্রকাশিত সংবাদের কারণে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ দাবি করছেন।
উল্লেখ্য, আজ সোমবার সকালে মেহেরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমিরের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হবার প্রাক্কালে, অস্ত্রসহ ৩ জন আটকের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়।,
ইপেপার
Copyright © 2026 ThikanaTV.Press. All rights reserved.