আজ শনিবার ,১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২১শে সফর, ১৪৪৪ হিজরি (শরৎকাল)

সন্ধ্যা ৭:১৬

৩০ শে ডিসেম্বর ২০১৮ সালে বাংলাদেশকে ধর্ষণ করেছে – ভিপি নুর।

 

ধর্ষকদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে ভিপি নুর যা যা বললেন।
উনি বলেন, এই বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৩০ শে ডিসেম্বর ২০১৮ সালে এই বাংলাদেশকে ধর্ষণ করেছে। এবং এই গণধর্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে দিয়েছে। ৩০ শে ডিসেম্বার ভোট ডাকাতির মাধ্যমে এই দেশের গণতন্ত্রকে কবর দিয়েছে। আমি খবর পেয়েছি আবার ছাত্রবন্ধুরা ময়মনসিংহে ধর্ষণের প্রতিবাদে রাস্তায় এসেছিল। কিন্তু সেখানে পুলিশ বাধা দিয়েছে , পুলিশ আজকে ধর্ষকদের পক্ষ নিচ্ছে। তারা আজকে ধর্ষকদের প্রশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদের পাশে অবস্থান নিয়েছে। তিনি আরো বলেন যে আমরা পুলিশের এই ধর্ষকদের পক্ষে অবস্থান কে তীব্র নিন্দা জানাই ও তীব্র প্রতিবাদ জানাই। শুধু তাই নয় সিলেটে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় পুলিশ তাদের মেরে পা ভেঙে দিয়েছে। যখন ছাত্ররা ধর্ষকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেছে তখন পুলিশ  ধর্ষকদের পক্ষ নিয়ে ঐ সকল ছাত্রদেরকে আটক করেছে। এবং ঐ সকল বিচারকদের কে তীব্র নিন্দা জানাই যারা সেই সকল ছাত্রদেরকে কারাগারে প্রেরণ করেছে। আমরা ওই বিচারকদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে দিতে চাই আপনারা যদি ধর্ষকদের পক্ষে অবস্থান নেন ওই সকল দুর্নীতি বাজদের পক্ষ নেন তাহলে আপনাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন আজকে আওয়ামী লীগের  অগণতান্ত্রিক ভাবে ক্ষমতায় থাকায় ফলে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটি জায়গায় একটি দুর্বৃত্ত শ্রেণী তৈরি হয়েছে। ছাত্রলীগ ধর্ষণ করে যুবলীগ ধর্ষণ করে আওয়ামী লীগ টাকা পাচার করে ক্যাসিনো পাচার করে তাদের ১৪ বছরের অর্জন হচ্ছে এই। তিনি বলেন আমাদের দুর্বলতার কারণে এই ধর্ষকের পৃষ্ঠপোষক দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক লুটেরা সরকার ক্ষমতায় টিকে আছে। সমাধান যদি আপনি করেন যে ধর্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর আইন করো সৎ পুলিশ অফিসার দের কে নিয়োগ দাও ঢাকা শহরে নিয়ে আসো বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং কাজ হবে না, কারণ সর্বাঙ্গে ব্যথা ঔষধ লাগাবেন কোথা। আজকে মসজিদ মাদ্রাসার মত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সচিবালয় সমস্ত জায়গায়  দুর্বৃত্ত শ্রেণী করেছে এই সরকার এবং এই দুর্বৃত্তরাই এই ধর্ষণ এবং দুর্নীতির প্রশ্রয়দাতা। আজকের এই ধর্ষক তথা এই সিলেট এমসি কলেজের দেলোয়ার রাই  এই সরকারকে বিভিন্ন কেন্দ্রে দখল করে তাদেরকে ভোটের মাধ্যমে পাস করিয়ে সরকার নির্বাচিত করেছে। কাজেই এই লড়াইটা আজকের সহজ নয় এই লড়াইটি ভিন্নভাবে করা যাবে না, অবিচ্ছিন্নভাবে করা যাবে না, আমি আহ্বান জানাতে চাই আজকে আমাদের আর সময় নাই আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে আজকে আমাদের ঐক্য বদ্ধ লড়াই চাই ,এই রাষ্ট্রকে সংস্কারের জন্য। কারণ আমরা আজকে মুক্তিযুদ্ধে ৫০ বছর অতিবাহিত করেছি কিন্তু আমরা এখনো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারি নাই। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসেছে এবং চলে গেছে এবং তারা প্রত্যেকেই জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। প্রত্যেক দলই ক্ষমতায় থাকার জন্য ভিন্ন মত এবং বিরোধীদল দমন করেছে এবং গুম-খুন লুটতারাজ করেছে। এবং বিচার ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করেছে। উনি বলেন আজকে যখন কোন বিচারক কে নিয়োগ দেয়া হয় তখন আওয়ামী লীগ তাদের নিজস্ব বিচারক নিয়োগ দেয়। যখন বিএনপি বিচারক নিয়োগ দেয় তখন তাদের নিজস্ব বিচারক নিয়োগ দেয়। তাহলে আপনারাই বলুন আমড়া গাছ থেকে কি কখনো আম খাওয়া সম্ভব?

সর্বশেষ খবরঃ

আপনার জন্য আরো খবর

উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে