আজ সোমবার ,২৭শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৩ হিজরি (বর্ষাকাল)

ভোর ৫:৫৬

সাঈদ ভাইকে নিয়ে কিছু স্মৃতি

- Advertisement -
- Advertisement -

সাবেক এম.পি মুহাদ্দিস আবু সাঈদ ভাই ছিলেন আমার দীর্ঘ ৩০ বছরের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক জীবনের কাণ্ডারী ও সাথী।সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো ছিল তার সর্বক্ষণের ভাবনার বিষয়।ইসলামের সৌন্দর্য নিজের বক্তব্য ও আমলের মাধ্যমে তুলে ধরে ইসলামের প্রচার ও প্রসারের কাজে তিনি ছিলেন এক নিবেদিত প্রাণ সেনাপতি। ১৯৮৮ সালে তিনি বাঁকড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।তখন আমি ছাত্র।সংগঠনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তিনি ইউপি চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করে ১৯৯০ সালে উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম হওয়া সত্ত্বে ও মাত্র ২ হাজার ভোটে তিনি পরাজিত হন।এরপর ১৯৯৬,২০০১,২০০৮ ও ২০১৯ সালে চার বার ঝিকরগাছা-চৌগাছা আসনে সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।উপজেলা আমির হিসেবে সবকটি নির্বাচনে আমি ছিলাম তার নির্বাচনী এজেন্ট ও নির্বাচন পরিচালক। ৩ বার তিনি জোটের প্রার্থী ছিলেন।২০০১ সালে ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ভোট পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন।তিনি এম.পি আর আমি তখন ঝিকরগাছা উপজেলা আমির।একসাথে সাংগঠনিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক কাজ করেছি।অনেক সময় তার সাথে মান-অভিমান করেছি।বুঝতে পেরে তিনি বুকে টেনে নিতেন পরম মমতায়।

সাঈদ ভাই,আপনি হঠাৎ করে চলে গেলেন, আমাকে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ টুকু ও দিলেন না।এ মর্মপীড়ায় জ্বলতে থাকবো যতদিন বেঁচে থাকবো।
সাঈদ ভাই,আপনাকে হারিয়ে সত্যিই আজ আমি অসহায়,নির্বাক। অনুশোচনার দহনে জ্বলছি।
সাঈদ ভাই,আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি সফল।

আমাকে ক্ষমা করবেন, সাঈদ ভাই।।

- Advertisement -

সর্বশেষ খবরঃ

- Advertisement -

আপনার জন্য আরো খবর

উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে