আপনার জানার ও বিনোদনের ঠিকানা

ফের বিতর্কিত সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন’

নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা তৃতীয়বারের মতো বিতর্কিত ও কলঙ্কজনক ঘটনা ঘটেছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভোট নিয়ে। ২০২৩ সালে সরকার সমর্থকদের একতরফা ভোট এবং ২০২২ সালে ভোটের ফল ঘোষণা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির তৈরি হয়। এবার ভোট গণনা কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ আদালতের সরকার সমর্থক আইনজীবীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

উৎসবমুখর পরিবেশে দুদিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) গভীর রাতে গণনা শুরুর সময় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলসহ অন্তত সাত আইনজীবী আহত হয়েছেন।

এদিকে, নির্বাচনের ফল ঘিরে সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদ সুলতানা যূঁথী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল থেকে সম্পাদক প্রার্থী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমান সাইফ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ২০ জনের নাম উল্লেখসহ ৪০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, গভীর রাতে অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির প্রধান অন্য কোনো প্রার্থী উপস্থিত না থাকায় সমিতির সম্পাদক পদে এক নারী প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। পরে অবশ্য নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। ব্যালট বাক্সগুলো পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যেই এই ভোট গণনা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবুল খায়ের।’

আবুল খায়ের বলেন, ‘রাতে ভোট গণনা শুরুর আগেই একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। সেজন্য ভোট গণনা ঝুলে আছে। ব্যালট পেপার সিলগালা করে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আমরা দু-এক দিনের মধ্যেই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করব।’ সম্পাদক পদে বিজয়ী ঘোষণার ব্যাপারে তিনি বলেন, ওই ফল ঘোষণা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হয়েছে। এটাকে ফল ঘোষণা বলা যায় না। একটা অনাকাঙ্ক্ষিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সম্পাদক পদে ফল ঘোষণা করা হয়। যে নোটিশ লেখা হয়েছিল, তা পড়লেই বোঝা যায়। ওই ঘোষণা ছিল অর্থহীন।’

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দেশের আদালত অঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী এ আইনজীবী সমিতির দুই দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এবারের ভোটে প্রায় ৮ হাজার ভোটারের মধ্যে ৫ হাজার ৩১৯ আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সমিতির শহীদ সফিউর রহমান মিলনায়তনে বুধ ও বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। এরপর রাতেই ভোট গণনার কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের জানান, বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) রাত ২টার পর ভোট বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হয়। এর আগে কোনো কোনো প্রার্থী ব্যালটের সঙ্গে মুড়ির মিল না থাকার কথা উল্লেখ করে আপত্তি তোলেন। পরে ভোট গণনা শুরু করা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। এর আগে থেকে অর্থাৎ সন্ধ্যার পরপরই সমিতি ভবনের বিভিন্ন স্থানে বহিরাগতদের অবস্থান করতে দেখা যায়। সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের স্ত্রী নাহিদ সুলতানা যূঁথী এবং বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী রুহুল কুদ্দুসসহ কয়েকজন রাতেই ভোট গণনার পক্ষে মত দেন। তবে এত রাতে প্রার্থীদের এজেন্ট না থাকার কথা উল্লেখ করে সরকার সমর্থিত সাদা প্যানেলের সম্পাদক পদপ্রার্থী শাহ মনজুরুল হকসহ কয়েকজন প্রার্থী শুক্রবার (৮মার্চ’) বাদ জুমা ভোট গণনার পক্ষে মত দেন। এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বাদানুবাদ ও হট্টগোল হয়।

উপস্থিত একাধিক আইনজীবী জানান, বাছাই প্রক্রিয়ার পর একপর্যায়ে উপকমিটির আহ্বায়কের কাছ থেকে একজন প্রার্থীর সমর্থক মাইক্রোফোন কেড়ে নেন। পরে কমিটির আরেক সদস্য তা আহ্বায়কের কাছে ফিরিয়ে দেন। একপর্যায়ে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যালটগুলো সিলগালা করে রাখা হবে। শুক্রবার দুপুরের পর ভোট গণনা হবে। তবে শুক্রবার ভোট গণনা নিয়ে আপত্তি জানান একাধিক প্রার্থী। শুক্রবার ভোরের দিকে উপস্থিত একজন আইনজীবী মিলনায়তন থেকে বের হওয়ার জন্য ফটক খুলে দিতে গেলে তাতে আপত্তি জানান উপকমিটির একজন সদস্য। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাদানুবাদ ও হট্টগোল হয়। একপর্যায়ে বেশ কয়েকজন বহিরাগত ব্যক্তি সমিতি মিলনায়তনে ঢুকে পড়েন। নির্বাচন পরিচালনা-সংক্রান্ত উপকমিটির সদস্য ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এস আর সিদ্দিকী সাইফ পুরো অবস্থার ভিডিও করতে থাকেন। এতে তার ওপর চড়াও হন কয়েকজন আইনজীবী। এ সময় মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মারধরের ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এদিকে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা চলাবস্থায় নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির প্রধান ভোট গণনা করতে চাইলেও সরকার সমর্থক প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী শাহ মনজুরুল হক শুক্রবার দিনের বেলায় ভোট গণনার পক্ষে অনড় থাকেন। একপর্যায়ে বেশিরভাগ প্রার্থী ও তাদের এজেন্টরা চলে যান। এ সময় নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির প্রধান আবুল খায়ের নাহিদ সুলতানা যূঁথীকে সম্পাদক পদে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এ ঘোষণার পর নাহিদ সুলতানা যূঁথী সব ব্যালট পুলিশের জিম্মায় রেখে দেন।’

অন্যদিকে ভোট গণনার সময় হামলার নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি। সংগঠনটির সভাপতি মো. ইয়াহিয়া ও সাধারণ সম্পাদক হাসান তারিক চৌধুরী শুক্রবার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভোট গণনার সময় এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন ও ন্যক্কারজনক। অবিলম্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সম্পাদক প্রার্থী শাহ মনজুরুল হক সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে ভোট গণনা চেয়েছি। আমাদের ছেলে-পেলেদের তো ট্রমাটাইজড (মানসিকভাবে আহত) করে ফেলেছে। আমাদের সাত-আটজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাইফুর রহমান সিদ্দিকী সাইফ ও আমার জুনিয়র জাকারিয়া হাবিব চিকিৎসাধীন আছে।’

এরকম ঘটনা কেন ঘটল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটার আসলে কোনো বর্ণনাই দিতে পারব না। উনি (যূঁথী’) উনার বাহিনী এনে দাঁড় করিয়ে রেখেছেন। এ খবর আমাদের কাছে আসার পর আমরা বলেছি গণনার পরিবেশ নেই, পরে গণনা হবে। এটা উনি সহ্য করতে পারছেন না। ভোর ৬টার দিকে উনি নিজেই অনেকের সঙ্গে মারামারি করেছেন। অনেক নারী আইনজীবীর গলাধাক্কা দিয়েছেন, দেখিয়ে দিচ্ছেন একে মারো, উনাকে মারো, তাকে ধরো। তখন কমিশন বলল, এই পরিবেশে গণনা করা যাবে না। শুক্রবার ৩টায় গণনা করতে চাই। তখন তিনি (যূঁথী) যুবলীগের পোলাপান ডেকেছেন। তারা ভেতরে ঢুকিয়ে মারামারি করছে। আর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধানকে জিম্মি করে বলেছে, তাকে ঘোষণা দেওয়ার জন্য গণনা করা লাগবে না।’

মারামারির ঘটনায় আহত সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমান সিদ্দিকী সাইফ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বারের বিগত নির্বাচন নিয়ে কিছুটা বিতর্ক তৈরি করেছিল বিএনপি-জামায়াত। সেই বিতর্ক থেকে বের হয়ে আসতে এবং সুন্দর ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে টানা দুই দিন ধরে আমরা পরিশ্রম করে যাচ্ছি। কিন্তু আমার ওপর নাহিদ সুলতানা যূঁথী যুবলীগের লোকদের দিয়ে সরাসরি আঘাত করেছেন। তিনি বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে জোট করে এ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছেন। আমি এখন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছি।’

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে সম্পাদক প্রার্থী নাহিদ সুলতানা যূঁথীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল শুক্রবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভোটের পর আমরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ফলের অপেক্ষায় ছিলাম। এখনো সেই অপেক্ষায় আছি।’

মামলায় যা বলা হয়েছে: সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমান সাইফের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনের ফলের দিন অ্যাডভোকেট যূঁথী এবং কাজলের নির্দেশে বার সমিতির নিচ তলায় আসামি অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন ওরফে মাসুদ অস্ত্রহাতে নিয়ে মামলার বাদী সাইফসহ নির্বাচন সাব-কমিটির অন্যদের গালাগাল করেন। এরপর মামলার আসামি অ্যাডভোকেট কাজী বশির আহম্মেদ এবং এবং অ্যাডভোকেট উসমান বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে রড দিয়ে আঘাত করেন। তখন আসামিরা সাইফকে লাঠি ও চেয়ার দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর ও আঘাত করেন। এ সময় অ্যাডভোকেট সাইফের সঙ্গে থাকা ব্যারিস্টার জাকারিয়া হাবিবকেও পেটানো হয়। বর্তমানে সাইফ আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সূত্র জানায়, অভিযুক্তদের বেশির ভাগই কেন্দ্রীয় যুবলীগের পদধারী নেতা। কেউ আবার আইনজীবী। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাচ্ছে না। থানা পুলিশ ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে।

তবে শাহবাগ থানার ওসি নুর মোহাম্মদের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বাদীর অভিযোগটি মামলা হিসেবে নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘নেওয়া হয়েছে বা নেওয়া হয়নি-কোনো বিষয়েই মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।’

উল্লেখ্য, এর আগে সমিতির পরপর দুটি নির্বাচন নিয়েও বিতর্ক ও কলঙ্কজনক ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ২০২৩ সালে সমিতির নির্বাচন পরিচালনা সাব-কমিটি গঠন নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়ে সমিতির আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থক এবং সমমনা আইনজীবীরা। পরে সমিতির আওয়ামী ফোরামের নেতারা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামানকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান করে নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটি ঘোষণা করেন। অন্যদিকে বিএনপি সমর্থকরা সমিতির সাবেক সহসভাপতি এ এস এম মোক্তার কবিরকে প্রধান করে একটি নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটি গঠন করেন। বিষয়টি নিয়ে দুপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে ১৫ মার্চ সকালে ভোট গ্রহণ শুরুর উদ্যোগ নিলে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচন পরিচালনা-সংক্রান্ত উপকমিটির সঙ্গে বিবাদে জড়ান। এক পর্যায়ে সমিতির মিলনায়তনে কয়েকশ পুলিশ প্রবেশ করে। তারা বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করতে লাঠিচার্জ শুরু করলে প্রায় ১৫ আইনজীবী এবং ১০ থেকে ১২ জন গণমাধ্যমকর্মী আহত হন। পরে একতরফা ভোটে আওয়ামী লীগ সমর্থক ১৪ প্রার্থীই বিজয়ী হন। এর আগে ২০২২ সালেও ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণার মুহূর্তে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা সম্পাদক পদে ভোট পুনঃগণনার দাবি জানান’। এ নিয়ে হৈচৈ-হট্টগোলের মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির আহ্বায়ক এ ওয়াই মসিউজ্জামানের পদত্যাগ করেন। ফল ঘোষণা নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। প্রায় দেড় মাসেও এ জটিলতার নিরসন না হওয়ায় একই বছরের ২৮ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা ব্যালট রাখা কক্ষ ভেঙে পুলিশ পাহারায় তা গণনা করে নিজেদের প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করেন।’

Facebook
Twitter
WhatsApp
Pinterest
Telegram

এই খবরও একই রকমের

‘কি করবেন ড. কায়কাউস’

নিজস্ব প্রতিবেদক: ড.কায়কাউস কি ভুল করলেন? বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তটি তার কি ভুল হয়ে গেল? এই সিদ্ধান্ত কি চটজলদি

গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলা, নিহত অন্তত ১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এছাড়া উত্তর গাজার

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন, ১৫ হাজারের বেশি শিশু হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অবরূদ্ধ ভূখণ্ড গাজায় ১৫ হাজারের বেশি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সশস্ত্র সংঘাতে শিশুদের বিরুদ্ধে নিপীড়নকারী দেশগুলোকে নিয়ে জাতিসংঘের বার্ষিক কালো তালিকায়

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর বাসভবন এলাকায় লোডশেডিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ সংকটের এই সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের বাসভবন এলাকায় লোডশেডিংয়ের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৯ মে’)

‘উপজেলায় বিএনপির প্রার্থীর ছড়াছড়ি’

নিজস্ব প্রতিবেদক: উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে না বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে , উপজেলা নির্বাচনে যদি বিএনপির কেউ অংশগ্রহণ করে

ইটের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধ দম্পতির 

নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাদেশে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এরইমধ্যে নরসিংদী সদরের চরাঞ্চলে এক ব্যবসায়ীর স্তুপ করে রাখা ইট ঘরের উপর ধ্বসে পড়ে। এতে ইটের