আজ মঙ্গলবার ,৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি (হেমন্তকাল)

বিকাল ৪:২৭

ফুঁ দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া সাধুবাবাকে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ

মানিকগঞ্জ জেলা শহরের আন্ধারমানিক এলাকায় একটি বাড়ির সবাইকে প্রসাদ খাইয়ে অচেতন করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল সেট চুরির ঘটনায় প্রতারক সাধুবাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রতারক সাধুবাবা ওরফে বাচ্চু প্রধান (৭৩)-কে চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ থানার নারায়ণপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা জানান, সাধুবাবা ওরফে বাচ্চু প্রধান একজন পেশাদার প্রতারক। তিনি গত শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ জেলা শহরের আন্ধারমানিক এলাকায় পঙ্কজ কুমার মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে নিজেকে বারদী থেকে আগত সন্ন্যাসী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আশ্রয় চান। তারপর সেই বাড়িতে কিছুক্ষণ অবস্থান করার পর তার হাতে মাখানো স্যাকারিন মিশ্রিত মাটি খেতে দেয়। ফুঁ দিয়ে কাগজে আগুন ধরিয়ে ওই পরিবারের সকলকে চমকে দিয়ে তাদের আস্থা অর্জন করে দুই রাত সেই বাড়িতে অবস্থান করে। এরই এক ফাঁকে, সুযোগ বুঝে সাধুবাবা ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত প্রসাদ খাইয়ে ওই বাড়ির ছয় সদস্যকে অচেতন করে তাদের টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন নিয়ে চলে যায়।

ঘটনার পরদিন, প্রতিবেশীরা তাদের অচেতন অবস্থা দেখে স্থানীয় কাউন্সিলর আবু মোহাম্মদ নাহিদকে খবর দেয়। পরে পুলিশকে অবহিত করলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাউন্সিলর ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় মুমূর্ষু ব্যক্তিদের জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। দুই-তিনদিন পর তাদের জ্ঞান ফিরলে সকলের অচেতন হয়ে থাকার প্রকৃত কারণ জানা যায়। এই ঘটনায় বাড়ির মালিক পঙ্কজ কুমার মন্ডল বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এরপর, তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান নিশ্চিত হয়ে, প্রতারক সাধুবাবাকে চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ থানার নারায়ণপুর এলাকা গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে বাচ্চু প্রধান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। তার হেফাজতে থাকা লুণ্ঠিত মোবাইল ফোন, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবরঃ

আপনার জন্য আরো খবর

উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে