আজ সোমবার ,২৭শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৩ হিজরি (বর্ষাকাল)

ভোর ৫:৩৫

ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম থেকে বাদ দিতে হবে বলল শাহরিয়ার ।

- Advertisement -
- Advertisement -

 শাহরিয়ার কবির। বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক। ঘা’তক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি। সংখ্যা’ল’ঘু নি’র্যা’তন বন্ধ এবং যু’দ্ধা’প’রা’ধ বিচা’রের দা’বিতে সোচ্চার ছিলেন দীর্ঘকাল। চী’নের সঙ্গে বাংলাদেশ সর’কা’রের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে নানা

ঝুঁ’কির কথা উল্লেখ করে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ‘ভার’ত অকৃত্রিম বন্ধু’ উল্লেখ করে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখার অভিমত ব্যক্ত করেন।ভার’ত-চী’নের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে মুখোমুখি হন জাগো

নিউজের। আলোচনা করেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রসঙ্গেও। বলেন, ‘রাষ্ট্রক্ষমতায় শেখ হাসিনা থাকলে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই’। ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে’ বলেও মত দেন। তিন পর্বের সাক্ষাৎকারের আজ থাকছে শেষটি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সায়েম সাবু জাগো নিউজ ।

ভার’ত-চী’নের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের নানা দিক বিশ্লেষণ করেছেন আগের দুই পর্বে। এই পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী? শাহ’রিয়া’র ক’বির : বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শান্তির দিকে। আমরা কারও সঙ্গে শত্রু’তা তৈরির পক্ষে নই। ব’ন্ধুত্ব সবার সঙ্গে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তির পক্ষে। এগুলো সবই বঙ্গবন্ধুর দর্শন। ১৯৭২ সালের সংবিধান হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীর দর্পণ। কিন্তু বর্তমান আও’য়ামী লী’গ বঙ্গ’ব’ন্ধুর আদর্শ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে শেখ হাসিনার সরকার এবার এসে গণতন্ত্র,

ধর্ম’নিরপে’ক্ষতা নিয়ে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। সহনীয় ধর্মনি’রপে’ক্ষতা যাকে বলে। ধর্মকে ফেলে দেয়া যাবে না, কিন্তু রাষ্ট্র থেকে আলাদা রাখতে হবে। তুর’স্কের কামা’ল আতা’তুর্ক ধর্মকে নাকচ করেছিলেন। এটি করলে আর চলবে না ধ’র্ম ধর্মে’র জায়গায়, রাষ্ট্র রাষ্ট্রের জায়গায় রাখতে হবে।জাগো নিউজ : শেখ হাসিনার সরকারের যে অভিযাত্রা সেখানে রাষ্ট্র আর ধর্মকে আলাদা করার সুযোগ আছে? শাহরির কবির : আমাদের লড়াইটা ঠিক এখানেই আমরা দেখতে পাচ্ছি আওয়ামী লীগ ক্রমশই হেফা’জতের দিকে।

ঝুঁকছে। জামায়াতিরা ক্রমশই আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করছে।এটি আমাদের জন্য অবশ্যই চিন্তিত হবার মত বিষয় বলে মনে করি আমরা এ বিষয় নিয়ে লড়া’ই থেকে সরে আসিনি। যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য আমাদের ৪০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। ’৭২-এর সংবিধানে ফেরার জন্য লড়াইটা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। এ লড়াইটা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্ম পর্যন্ত চলবে

- Advertisement -

সর্বশেষ খবরঃ

- Advertisement -

আপনার জন্য আরো খবর

উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে